সিলেট পর্ব শেষে বিপিএলের পঞ্চম আসরের খেলা হচ্ছে এখন ঢাকার মিরপুরে। ক্রিকেটের এমন জমজমাট আসরকে (আইপিএল, বিপিএল..) দেশি-বিদেশে জুয়ার আসরগুলোও জমে ওঠে। সম্প্রতি বিপিএল খেলার জুয়াকে কেন্দ্র ঢাকায় এক তরুণও খুন হয়েছে। তবে এবার অন্য রকম তথ্য দিলেন বিএনপির জোট শরিক বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ।
বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক স্ট্যাটাসে বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজির দল এবং আয় নিয়ে সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আপনার বাবা যদি মন্ত্রী থাকে তাহলে বিপিএলে নিজ এলাকার নামে একটা টিম বানান, তারপর আব্বুকে বলুন আর আপনার আব্বু লাইন দিয়ে ব্যবসায়ীদের ফোন করে দিবে স্পন্সরের জন্য। তারপর দেখবেন কী সুন্দর শুর শুর করে নিরবে কাঁদতে কাঁদতে ব্যাবসায়ীরা টাকা নিয়ে আসবে...। আর সেই টাকার অল্প কিছু খরচ করবেন টিম এর পিছে আর বাকিটা আপনার ... কী দারুন একখানা কোটি টাকা কামাই এর উপায় আপনার। এরকম চার/পাঁচটা আব্বু থাকলে এদের সন্তানদের ভয়ে বিপিএলের সময় ব্যবসায়ীরা দেশ ছেড়ে ভাগবে...।’
২০১২ সাল থেকে ভারতের আইপিএলের আদলে বাংলাদেশে শুরু হয় বিপিএল। সেই ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত চারটি আসর শেষ হয়েছে। এবার চলছে বিপিএলের পঞ্চম আসর।
বলা হয়ে থাকে ঘরোয়া ক্রিকেটে একমাত্র লাভজনক আসর বিপিএল। এখানে জাতীয় দলের বাইরেও নতুন নতুন খেলোয়াড় তাদের পারফরমেন্স করার সুযোগ পান। ওঠে আসেন জাতীয় দলে। দেশিও খেলোয়াড় ছাড়া বিদেশি খেলোয়াড়ও খেলেন। গত চার আসরে প্রতি ম্যাচে চারজন করে বিদেশি খেলোয়াড় খেললেও এবার থেকে তা বড়িয়ে পাঁচজন করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), টেলিভিশন সম্প্রচারস্বত্ব ও টিম স্পন্সরশিপ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেরও (বিসিবি) আয়ের প্রধান খাত বিপিএল। জানা গেছে, গত চার আসরের আয়-ব্যয়ের খরচ বাদ দিলে বিপিএল থেকে বিসিবির নিট মুনাফা হয়েছে ১২২ কোটি ২৯ লাখ ১৩ হাজার ৭৭২ টাকা।
বিপিএলের প্রথম দুই আসর (২০১২ ও ২০১৩) থেকে বিসিবি আয় করেছে ৭১ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। আর সর্বশেষ দুই আসর থেকে (২০১৫ ও ২০১৬) আয় হয়েছে ৫১ কোটি ৬২ লাখ ৭৭ হাজার ১১০ টাকা। এক আসরে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে বিপিএলের দ্বিতীয় সংস্করণে ৩৮ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।